Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts

Sunday, 26 July 2020

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তিরিশটি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন-?

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তিরিশটি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন-?

১) করোনা শব্দের আভিধানিক অর্থ কি? উঃ মাথার মুকুট

২) কোন দশকে করোনা ভাইরাসের সন্দেহ মেলে? উঃ ১৯৩০

৩) করোনা ভাইরাস কত সালে আবিষ্কার হয়? উঃ ১৯৬০

৪) WHO কবে এই ভাইরাসের নাম দেন 2019-nCOV? উঃ ৭ জানুয়ারি,২০২০

৫) কোভিড-১৯ কবে নামকরণ করা হয়? উঃ ১১ ফেব্রুয়ারি,২০২০

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তিরিশটি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন-?
করোনা ভাইরাস সম্পর্কে তিরিশটি সাধারণ জ্ঞান প্রশ্ন-?


৬) কোভিড-১৯ রোগটি প্রথম কোথায় ও কবে সনাক্ত করা হয়? উঃ ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের উহান নগরীতে রোগটি সনাক্ত করা হয়।

৭) WHO, COVID-19 কবে PANDEMIC হিসেবে ঘোষণা করে? উঃ ১১ মার্চ, ২০২০

৮) COVID-19 রোগটির বহনকারী ভাইরাসটির নাম কি? উঃ SARS-COV-2

৯) বিজ্ঞানীরা কবে কোভিড-১৯ কে সার্স-করোনা ভাইরাস গোত্রের বলেন? উঃ ৯জানুয়ারি,২০২০

১০) কোভিড-১৯ কে বৈশ্বিক মহামারী হিসেবে কবে কে ঘোষণা দেয়? উঃ ১১ মার্চ,WHO

১১) বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী সনাক্ত করা হয় কবে? উঃ ৮ মার্চ, ২০২০

১২) কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রথম মারা যায় কবে? উঃ ১৮ মার্চ,২০২০

১৩) সর্বপ্রথম বাংলাদেশ কোন জেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়? উঃ মাদারীপুর

১৪) আইইডিসিআর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? উঃ ১৯৭৬

১৫) IEDCR- পূর্ণরুপ কী? উঃ Institute of Epidemiology, Diseases Control and Research.

১৬) IEDCR এর বর্তমান পরিচালক কে? উঃ প্রফেসর ড. মীরজাদী সাব্রিনা ফ্লোরা।

১৭) IEDCR এর সদর দপ্তর কোথায়? উঃ মহাখালী, ঢাকা।

১৮) PPE এর পূর্নরুপ কি? উঃ Personal protective Equipment.

১৯) সর্বপ্রথম বাংলাদেশের নাগরিক কোন দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়? উঃ সিঙ্গাপুর

২০)করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষার জন্য নাক ও গলার লালার নমুনা সংগ্রহ করার বিশেষ কাঠির নাম কী? উত্তরঃ সোয়াব স্টিক

২১) করোনাভাইরাস শনাক্তের কিট বাংলাদেশেকে সরবরাহ করেছে? উঃ WHO

২২)করোনাভাইরাস শনাক্তকরণে গণস্বাস্থ্যের তৈরি কিটের নাম কী? উত্তরঃ জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লট

২৩) করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের বিশ্বের প্রায় কয়টি দেশে সংক্রমণের বিস্তার করে? উঃ ২০০টি

২৪) করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম ইউরোপের কোন দেশে ধরা পরে? উঃ ফ্রান্স

২৫) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কোন ডাক্তার মারা যান? উঃ ড. মইনুদ্দিন

২৬) করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে সর্বপ্রথম কোন সাংবাদিক মারা যান? উঃ হুমায়ুন কবির খোকন

২৭) করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্ককারী চিকিৎসকের নাম কি? উঃ লি ওয়েনলিয়াং

২৮) লি ওয়েনলিয়াং কবে মারা যান? উঃ ৬ ফেব্রুয়ারী,২০২০

২৯) WHO কবে বৈশ্বিক অবস্থা জাড়ি করে? উঃ ৩০ জানুয়ারি,২০২০

৩০) করোনা ভাইরাসের ৭ম প্রজাতির নাম কি? উঃ 2019 Novel Corona Virus (বি.দ্র. তথ্যগুলো বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স থেকে সংগ্রহ করেছি,ত্রুটি মার্জনীয়)

Sunday, 19 July 2020

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নতুন রোগ দেখে যাচ্ছে বাংলাদেশেও

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নতুন রোগ দেখে যাচ্ছে বাংলাদেশেও

করোনাভাইরাস সম্পর্কিত নতুন রোগ দেখে যাচ্ছে বাংলাদেশেও
করোনাভাইরাসের কারণে মানবদেহে এমন কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে যার প্রভাব বেশ মারাত্মক। করোনা সম্পর্কিত নতুন নতুন রোগের সন্ধান মিলছে। এর একটি হচ্ছে- মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোম। বিরল এই রোগে আক্রান্ত দুটি শিশু ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এপ্রিল মাসে সর্ব প্রথম যুক্তরাজ্য এবং আমেরিকায় বেশ কিছু শিশুর মধ্যে এই রোগ ধরা পড়ে। এটি মূলত শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হওয়ার পরে দেখা গেছে এই রোগে আক্রান্ত কিছু শিশুর মধ্যে করোনা সংক্রমণ রয়েছে।
গত ১৫ এবং ২৭ মে বাংলাদেশে দুটি শিশুর মধ্যে এই রোগের উপস্থিতি পাওয়া যায়। বিরল এই রোগে আক্রান্ত দুটি শিশু ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। আক্রান্ত দুই শিশুর মধ্যে একজনের বয়স ৩ মাস এবং আরেক শিশুর বয়স ২ বছর দুই মাস।
ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দুই শিশুরই যথাক্রমে ৫ ও ৭ দিন ধরে ১০২ এবং ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট জ্বর ছিল। এর সঙ্গে ছিল ডায়রিয়া, চোখ ও ঠোঁট লাল হয়ে যাওয়া এবং পায়ের হালকা ফোলা ভাব। তারা সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই রোগে শিশুদের আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি। তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, যেহেতু এই রোগটি করোনার সঙ্গে সম্পর্কিত, সেজন্য মহামারির সময় শিশুদের প্রতি খেয়াল রাখা উচিত।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোলের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, শিশুদের মধ্যে যদি—জ্বর, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, বমি, ঘাড়ে ব্যথা, র‍্যাশ, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং বেশি ক্লান্ত অনুভব করার লক্ষণগুলো থাকে তবে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
তবে সব শিশুর ক্ষেত্রে একই রকমের উপসর্গ নাও থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল। সংস্থাটি বলেছে আরো কিছু উপসর্গ থাকতে পারে, যেমন—শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, বুকে চাপ ও ব্যথা অনুভব করা, জেগে থাকতে কষ্ট হওয়া, ঠোঁট এবং মুখ নীলাভ হয়ে যাওয়া। চিকিৎসকরা বলছেন, এই রোগ থেকে শিশুদের রক্ষার করার উপায় হচ্ছে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের কাছ থেকে দূরে থাকা।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য যেসব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, ঠিক একই ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে মাল্টিসিস্টেম ইনফ্লেমেটরি সিনড্রোমের ক্ষেত্রে।

Thursday, 16 July 2020

করোনা মহামারি আরও খারাপ হওয়ার কথা জানালো ডব্লিউএইচও

করোনা মহামারি আরও খারাপ হওয়ার কথা জানালো ডব্লিউএইচও

করোনা মহামারি আরও খারাপ হওয়া
ডব্লিউএইচও
যদি সব দেশ মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা সতর্কতা অবলম্বন না করে তাহলে চলমান

  করোনাভাইরাস মহামারি আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
জেনেভায় এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেইয়েসুস বলেন, আমাকে স্পষ্ট করতে দিন, অনেক দেশই ভুল পথে অগ্রসর হচ্ছে, ভাইরাসটি এখনও জনগণের প্রথম শত্রু হিসেবে রয়ে গেছে।
তিনি বলেন, যদি মৌলিক বিষয়গুলো না মানা হয়, তাহলে এই মহামারি চলতেই থাকবে। এটি আরও খারাপ, খারাপ ও খারাপ হতে থাকবে। কিন্তু এটিকে এভাবে চলতে দেয়া যায় না।
এদিকে, সোমবার পর্যন্ত প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ৭২ হাজারের বেশি মানুষ। গত পাঁচদিনেই বিশ্বজুড়ে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ।
প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের তাণ্ডব চললেও এখন পর্যন্ত কোনও প্রতিষেধক কিংবা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দুই শতাধিক ভ্যাকসিন তৈরির প্রকল্প চালু রয়েছে। এছাড়া অন্তত ২০টি ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।
তবে বিশ্বে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়ালে সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। সম্প্রতি দেশটির সেশনভ ফার্স্ট মস্কো স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এ সাফল্য দেখিয়েছেন বলে সোমবার জানিয়েছে রাশিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা স্পুটনিক।
রাশিয়ার গামালেই ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজির তৈরি এ করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হয়েছিল গত ১৮ জুন। রুশ গবেষকরা বলেছেন, পরীক্ষায় সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে ভ্যাকসিনটি।

Tuesday, 14 July 2020

করোনা প্রতিরোধে এই ৫ ফল খাওয়ার পরামর্শ

করোনা প্রতিরোধে এই ৫ ফল খাওয়ার পরামর্শ

করোনা প্রতিরোধে এই ৫ ফল খাওয়ার পরামর্শ
শুধু করোনাভাইরাস নয়, যেকোনো রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচতে প্রত্যেকের জোর দেয়া উচিত ইমিউনিটি সিস্টেম শক্তিশালী করার প্রতি। অর্থত্ শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। 

এক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে খাদ্যাভ্যাস। 

এই ৫ ফল নিয়মিত খেলে বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা-

কমলা: এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি যা সর্দি কাশি থেকে বাঁচাতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো করতে কমলার জুড়ি নেই।

লেবু: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোয় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর লেবু। প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে একটি লেবু রস করে তার সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খান নিয়মিত।
তরমুজ: মৌসুমী ফল তরমুজ শুধু শরীর ঠান্ডাই রাখে না এতে মজুত গ্লুতাথিওন নামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইমিউনিটি সিস্টেম আরও শক্তিশালী করে তোলে। বাড়ায় জীবাণু প্রতিরোধ ক্ষমতা।
পেঁপে: একজন প্রাপ্ত বয়ষ্ক মানুষের প্রতিদিন যে পরিমাণ ভিটামিন সি প্রয়োজন তার অধিকাংশ পেয়ে যাবেন পেঁপেতে। ভিটামিন সি-র পাশাপাশি এতে রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি, ফোলেট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরিতে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি। রয়েছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল যা আপনার ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে।
কিছু মানুষের শরীরে করোনা হবেই না

কিছু মানুষের শরীরে করোনা হবেই না

করোনা হবেই না
করোনা
নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত না হওয়া অনেকের শরীরে এমন ‘টি-সেল’ রয়েছে, যেটি এই ভাইরাসকে প্রতিহত করতে সক্ষম।

 কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, সম্ভবত এসব ব্যক্তি অন্য কোনো করোনাভাইরাস দ্বারা এর আগে সংক্রমিত হয়েছিল।

বিজ্ঞানীরা আরেকটি আশার কথাও শুনিয়েছেন। সেটি হলো, মৃদু উপসর্গ থাকা ব্যক্তির শরীরেও এমন ‘টি-সেল’ এবং ‘অ্যান্টিবডি’ তৈরি হতে পারে 

যেটি তাকে ভবিষ্যৎ সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সক্ষম।

গবেষণা প্রতিবেদনটি সম্প্রতি ছাপা হয় সেল সাময়িকীতে। গবেষণায় মোট ৪০ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ২০ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সেরে উঠেছে। বাকি ২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে। অর্থাৎ এই ২০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, করোনা থেকে সেরে উঠা ২০ জনের শরীরেই শ্বেত রক্তকণিকা এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতি রয়েছে। 

কিন্তু ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালে যেসব নমুনা নেওয়া ছিল, সেগুলোর ৫০ শতাংশের মধ্যেও ‘সিডি৪+’ নামের ‘টি-সেল’ পাওয়া গেছে। 

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ‘টি-সেল’ করোনাভাইরাসকে শনাক্ত এবং প্রতিহত করতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যাদের শরীরে এই ‘টি-সেল’ আগে থেকেই আছে, তারা করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। 
বিজ্ঞানীদের ধারণা, এ ধরনের ব্যক্তি আগে অন্য কোনো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ছিল, যেগুলোর কারণে সাধারণ সর্দি-কাশি হয়ে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই সক্ষমতাকে বলা হয় ‘ক্রস-রিয়েক্টিভিটি’।
কিন্তু এই ‘ক্রস-রিয়েক্টিভিটি’ কতটা শক্তিশালী কিংবা অন্যান্য স্বাস্থ্য জটিলতা থাকলে এটা কতটা সুরক্ষা দেবে, তা নিশ্চিত হতে আরো গবেষণা প্রয়োজন।
চালকুমড়ার যত উপকারিতা

চালকুমড়ার যত উপকারিতা

চালকুমড়ার উপকারিতা
চালকুমড়া
সঠিক খাবার খাওয়া ও নিয়মিত শরীরচর্চা করা- এই দু’টি হলো ওজন কমানোর মূল নিয়ম। এগুলো যেকোনো একটি বাদ দিলে আপনি ওজন কমাতে পারবেন না এবং সঠিক মাপে পৌঁছাতেও ব্যর্থ হবেন।
ওজন কমানোর কোনো শর্টকাট উপায় না থাকায় এটি রাতারাতি অর্জন করা যায় না। তবে কিছু ছোট ছোট টিপস এবং কৌশল রয়েছে যা পুরো প্রক্রিয়াটিকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এরকম একটি উপায় হলো চালকুমড়ার রস খাওয়া। এটি আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে। এমনটাই প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
চালকুমড়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
চালকুমড়া আমাদের দেশে পরিচিত একটি সবজি। এর স্বাদ হালকা, অনেকটা শসার মতো। এটি নানা রকমের খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই সবজির কিছু আশ্চর্যজনক ঔষধি গুণও রয়েছে, যার কারণে এটি আয়ুর্বেদিক ওষুধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
চাল কুমড়া নানা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে পানির পরিমাণ অনেক বেশি। ৯৬ শতাংশ পানি দিয়ে গঠিত এবং এতে ফাইবার বেশি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম চাল কুমড়ায় রয়েছে খাদ্যশক্তি ১৩ কিলোক্যালরি, আমিষ ০.৪ গ্রাম,শর্করা ৩ গ্রাম, ফাইবার ২.৯ গ্রাম,চর্বি ০.২ গ্রাম,ভিটামিন সি ১০.১ মিলিগ্রাম,পটাশিয়াম ১৫০ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১১ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৬ মিলিগ্রাম।
চালকুমড়া এবং ওজন হ্রাস
ফাইবার এবং বেশিরভাগ অংশ জলীয় হওয়ার কারণে চালকুমড়া আমাদের হজমে উন্নতি করতে এবং কার্যকরভাবে ওজন হ্রাস করতে সহায়তা করতে পারে। এটি দ্রবণীয় ফাইবারের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা হজম প্রক্রিয়া হ্রাস করে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখতে পারে।
কীভাবে খেলে ওজন কমবে
চালকুমড়ার খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট অংশে কেটে নিন। ভেতেরর বীজগুলো ফেলে দিন। একটি মিক্সার বা ব্লেন্ডারে চালকুমড়ার টুকরোগুলো দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। একটি পরিষ্কার সুতির কাপড় বা ছাকনিতে রসটুকু ছেকে নিন।। গন্ধের জন্য আপনি লেবুর রস অথবা ২-৩টি পুদিনা পাতা যোগ করতে পারেন। কার্যকর ফলাফলের জন্য খালি পেটে প্রতিদিন সকালে এই রস পান করুন।
কাপড়ে লেগে থাকা করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন তথ্য

কাপড়ে লেগে থাকা করোনাভাইরাস নিয়ে নতুন তথ্য


গত বছরের শুরুতে দেখা দিয়েছিল, ইতিমধ্যে নতুন বছরের অর্ধেক শেষও। বলছি মরণঘাতি করোনাভাইরাসের কথা। এর সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার জন্য আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে চলেছি। বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিনের জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।
এই যখন অবস্থা, তখন খুব স্বাভাবিক একটি প্রশ্ন আপনার মনে জাগতেই পারে। তা হলো, এই ভাইরাস আমাদের পোশাকে বা কাপড়ে ঠিক কতক্ষণ বেঁচে থাকতে পারে?
আমেরিকার জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে করোনভাইরাস তিনদিন পর্যন্ত প্লাস্টিক এবং ইস্পাত পৃষ্ঠের উপরে বেঁচে থাকতে পারে। এও বলা হয় যে, এই ভাইরাসের পোশাকে থেকে যাওয়ারসম্ভাবনা অনেকটা কম, যদিও এটি জুতার সঙ্গে টিকে থাকতে পারে।
বাড়িতে ফেরার কি কাপড় ধোয়া দরকার?
যেহেতু ভাইরাসের পক্ষে কাপড়ের উপরে বেঁচে থাকা কঠিন, তাই আপনি ফিরে আসার সাথে সাথে কাপড় ধুয়ে নেয়া জরুরি নয়। তবে যদি আপনি স্বাস্থ্যসেবা কর্মী হন, তবে অবশ্যই বাড়ি ফেরার সঙ্গে সঙ্গে কাপড় বদলে তা পরিষ্কার করতে দেয়া উচিত।
কাপড় কীভাবে পরিষ্কার করবেন?
সেন্টার ফর ন্যাশনাল ডিজিজের পরামর্শ হলো, বাড়িতে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে কাপড় বদলে তা ধুয়ে ফেলা এবং পুরোপুরি শকিয়ে নেয়া। জানা গেছে যে করোনভাইরাসে ফ্যাটি ঝিল্লির একটি স্তর রয়েছে যা ডিটারজেন্ট মোকাবেলা করতে পারে এবং পুরো ভাইরাসকে মেরে ফেলতে সক্ষম হয়।
কাপড় কীভাবে শুকানো উচিত
ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ারে শুকানোই যথেষ্ট নয়, কাপড়গুলো প্রাকৃতিকভাবে শুকানোর জন্য রোদে দেয়া উচিত। এরপরও যদি কাপড়াগুলো কতটা নিরাপদ তাসে সম্পর্কে নিশ্চিত না হন তবে এগুলো ব্যবহারের আগে ২-৩ দিন পর্যন্ত আলাদা করে ঝুলিয়ে রাখুন যাতে ভাইরাস স্বাভাবিকভাবে মারা যায়।
করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার ১৬ সপ্তাহ পর যা বললেন প্রথম গ্রহণকারী

করোনা ভ্যাকসিন নেয়ার ১৬ সপ্তাহ পর যা বললেন প্রথম গ্রহণকারী


নভেল করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ প্রতিরোধে তৈরিকৃত যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধপ্রস্তুতকারক কোম্পানি মডার্নার একটি ভ্যাকসিন প্রথমবারের মতো মানবদেহে পরীক্ষা চালানোর ১৬তম সপ্তাহ চলছে। মডার্নার সেই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন দেশটির নাগরিক জেনিফার হলার।
১৬ সপ্তাহ পর এসে তিনি ওই ভ্যাকসিনের ব্যাপারে আশাব্যাঞ্জক তথ্য দিয়েছেন। জেনিফার হলার বলেছেন, আমার প্রথম ডোজ নেয়ার ১৬ সপ্তাহ পার হয়েছে। আমি চমৎকার বোধ করছি। ওয়াশিংটন রাজ্যের এই নারী দেশটির একটি প্রযুক্তিবিষয়ক স্টার্টআপের অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কোমো-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভ্যাকসিনটির প্রথম ডোজ নেয়ার পর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত কোনও ধরনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হননি।
চলতি বছরের ১৬ মার্চ ৪৩ বছর বয়সী জেনিফার হলার দেশটিতে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে করোনার পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। বিশ্বখ্যাত মার্কিন ওষুধপ্রস্তুতকারক কোম্পানি মডার্না এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ এমআরএনএ-১২৩৩ নামের ভ্যাকসিনটি প্রস্তুত করে।
হলার বলেন, ভ্যাকসিনটিতে আরএনএ মেসেঞ্জার ব্যবহার করা হয়েছে। আমার ধারণা এটি একেবারে নতুন এবং অনন্য। অন্যান্য ট্রায়ালে ভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। করোনার অপর একটি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে অংশ নিয়েছেন নীল ব্রাউনিং নামের এক স্বেচ্ছাসেবী। তিনি বলেন, মডার্না যেটি করেছে সেটি হলো আরএনএ মেসেঞ্জার। আপনার শরীর কারখানা হয়ে ওঠে। সেখানে এমন একটি কণা তৈরি হয়; যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
প্রায় এক মাসের মধ্যে সিয়াটলে ৪৫ জন সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে কোভিড-১৯ এর সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের কাইসার পারমানেন্টে ওয়াশিংটন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউট এই পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
করোনায় আরও ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ..

করোনায় আরও ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ..

করোনায় আরও ৩৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১৬৩


মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।


গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ১৬৩ জন।


গত ২৪ ঘণ্টায় এ ভাইরাসকে হারিয়ে ঘরে ফিরেছেন চার হাজার ৯১০ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ তিন হাজার ২২৭ জনে।


বুলেটিনে বরাবরের মতোই ডা. নাসিমা করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

গত ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়ানোর পর বিশ্বজুড়ে এ ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা এখন এক কোটি ৩২ লাখ ৪৮ হাজারের বেশি। মৃতের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার প্রায়। তবে ৭৭ লাখের বেশি রোগী ইতোমধ্যে সুস্থ হয়েছেনবাংলাদেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। প্রথম মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ
করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট ও সর্বশেষ খবর

করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট ও সর্বশেষ খবর


বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট ও সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট 

আরো দেখুন : 

বিশ্ব করোনা ভাইরাস লাইভ আপডেট ও সর্বশেষ খবর